২৬শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ভোর ৫:৩২
আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, আলোকিত নন্দিরগাঁও ই-ম্যাগাজিন রচনা প্রতিযোগিতা ২০২১ ফলাফল, আলোকিত নন্দিরগাঁও নিউজ, ইসলাম ও জীবন, একনজরে গোয়াইনঘাট উপজেলা, একনজরে নন্দিরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ, ঐতিহ্যবাহী নন্দিরগাঁও  গ্রামের ইতিবৃত্ত, ঐতিহ্যবাহী নন্দিরগাঁও রাজ সমাচার, কবিতা, ক্বারী সাহেবগণ, গুণীজন, গুণীজনদের বাণী, গ্রাম নিয়ে তরুণদের ভাবনা, গ্রাম নিয়ে ভবিষ্যত পরিকল্পনা ও দাবি, ছড়া, ছিলটি ভাষা, জলমহাল ও জলাশয়, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীরমুক্তিযোদ্ধাগণ, ডাকের কথা ছিল্লক, নন্দিরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক বৃন্দ, নিয়মিত বিভাগ, পূর্ব পুরুষ উলামায়ে কেরাম গণ, প্রবন্ধ, প্রবীণ ও নবীন উলামা মাশায়েখ গণ, বিজয়ী ১ম,২য় স্থান অর্জন কারীদের রচনা, বিবিধ, মসজিদসমূহ নাম ও ছবি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসী গণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ ছবি, সচিত্রে প্রিয় গ্রাম/ছবি গ্যালারী, সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতির কথা, সম্পাদকের কথা, সম্মানিত ডায়মন্ড মেম্বার ও গোল্ডেন মেম্বার গণ, সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীগণ, সাংবাদিক ও মিডিয়াকর্মী গণ, সাবেক মেম্বার গণ, সামাজিক সংগঠনগুলো, সাহিত্য, স্মৃতিচারণ, স্মৃতিচারণ || পূর্ব পুরুষ, হাফিজ সাহেব গণ, হিন্দু পাড়া মন্দির

জিলহজ্ব মাসের ৫টি বিশেষ আমল

আলোকিত নন্দিরগাঁও
  • আপডেট সোমবার, জুলাই ৫, ২০২১,
  • 200 Time View
১. প্রথম ১০ দিনে নফল রোযা ও রাতে ইবাদত করা
২. চুল-নখ না কাটা
৩. আরাফার দিন রোজা রাখা
৪. তাকবীরে তাশরীক বলা
৫.স্বচ্ছল ব্যক্তির জন্য কুরবানী করা৷
বিস্তারিত হাদীস সমুহ:
১. প্রথম ১০ দিনে নফল রোযা ও রাতে ইবাদত করা:
জিলহজ্ব মাসের চাঁদ উদিত হওয়ার পর থেকে দশ তারিখ পর্যন্ত দিনে সম্ভব হলে নফল রোযা রাখা ( কুরবানির দিনে রোযা নয়) আর রাতের বেলা বেশী বেশী ইবাদত করা, যথা: নফল নামায, কুরআন তিলাওয়াত, তাসবীহ-তাহলীল, তাওবা-ইস্তিগফার ও রোনাজারী ইত্যাদি ইবাদতের মাধ্যমে রাত কাটানো।
ফযীলত:
হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, জিলহজ্বের দশ দিনের ইবাদত আল্লাহর নিকট অন্য দিনের ইবাদতের তুলনায় বেশী প্রিয়, প্রত্যেক দিনের রোযা এক বছরের রোযার ন্যায় আর প্রত্যেক রাতের ইবাদত লাইলাতুল কদরের ইবাদতের ন্যায় । {তিরমিজী শরীফ, সিয়াম অধ্যায়,দশ দিনের আমল পরিচ্ছেদ, ১ম খন্ড,১৫৮ পৃষ্ঠা}
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, এই দশ দিনের আমল অপেক্ষা অন্য দিনের আমল প্রিয় নয়। {বুখারী শরীফ, দুই ঈদ অধ্যায়, আইয়ামে তাশরীক পরিচ্ছেদ, ১ম খন্ড, ১৩২ পৃষ্ঠা
২. চুল-নখ না কাটা:
যারা কুরবানী করবে তাদের জন্য যিলহজ্বের চাঁদ উঠা থেকে কুরবানী করা পর্যন্ত চুল ও নখ না কাটা মুস্তাহাব।
হাদীস:
হযরত উম্মে সালামা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, তোমাদের মধ্যে যারা কুরবানী করবে, তারা যেন [এই ১০ দিন] চুল ও নখ না কাটে।
{সুনানে ইবনে মাজাহ, কুরবানী অধ্যায়, যে কুরবানী করবে তার জন্য চুল-নখ না কাটার বর্ণনার অধ্যায়, পৃষ্ঠা-২২৭, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-৫২৩৩}
৩. আরাফার দিন রোজা রাখা:
প্রথম নয় দিন বিশেষ করে আরাফার দিন অর্থাৎ নয় জিলহজ্বে নফল রোযা রাখা।(তবে আরাফায় উপস্থিত হাজি সাহেবদের জন্য নয়)
ফযীলত:
হযরত আবু কাতাদা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-আরাফার দিনের রোযার ব্যাপারে আমি আশাবাদী যে, আল্লাহ তাআলা তার [রোযাদারের] বিগত এক বৎসরের ও সামনের এক বছরের গোনাহ মাফ করে দিবেন।
{তিরমিজী শরীফ, সাওম অধ্যায়, আরাফার দিনে রোযার ফযীলত পরিচ্ছেদ, ১ম খন্ড, ১৫৭ পৃষ্ঠা, সুনানে ইবনে মাজাহ, ১২৪ পৃষ্ঠা}
৪. তাকবীরে তাশরীক বলা
যলহজ্ব মাসের ৯ তারিখের ফজর থেকে ১৩ তারিখের আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর একবার তাকবীর বলা ওয়াজিব। পুরুষের জন্য আওয়াজ করে, আর মহিলাদের জন্য নীরবে। তাকবীর হল-
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাহু, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ”।
{ফাতওয়া শামী-তৃতীয় খন্ড, ৬১ পৃষ্ঠা, সালাত অধ্যায়, ঈদ পরিচ্ছেদ, ইলাউস সুনান, সালাত অধ্যায়, তাকবীরাতুত তাশরীক পরিচ্ছেদ, ৮ম খন্ড, ১৪৮ পৃষ্ঠা}
৫.স্বচ্ছল ব্যক্তির জন্য কুরবানী করা:
১০, ১১ অথবা ১২ ই যিলহজ্বের যে কোন একদিন, কোন ব্যক্তির মালিকানায় যদি নিত্য প্রয়োজনের অতিরিক্ত সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ, অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা বা এর সমমূল্যের সম্পদ থাকে,তাহলে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। পুরুষ-মহিলা সকলের উপরই এ বিধান প্রযোজ্য। {ফাতওয়া শামী-৯/৪৫৩, ৪৫৭ ফাতওয়া আলমগীরী-৫/২৯২, সুনানে ইবনে মাজাহ-২২৬}
ফযীলত:
যায়েদ বিন আরকাম রা. বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবা রা. গণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ সকল কুরবানীর ফযীলত কি? উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন-তোমাদের জাতির পিতা ইবরাহীম আ. এর সুন্নাত। তারা (রা.) পুনরায় আবার বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তাতে আমাদের জন্য কী সওয়াব রয়েছে? উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন-কুরবানীর পশুর প্রতিটি চুলের বিনিময়ে একটি সওয়াব রয়েছে। তারা (রা.) আবারো প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! ভেড়ার লোমের কি হুকুম? (এটাতো গণনা করা সম্ভব নয়), তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন-ভেড়ার লোমের প্রতিটি চুলের বিনিময়ে একটি সওয়াব রয়েছে। {সুনানে ইবনে মাজাহ-২২৬}
কঠোর হুশিয়ারী:
আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি সক্ষমতা থাকা সত্বেও কুরবানী করলো না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটেও না আসে। {সুনানে ইবনে মাজাহ-২২৬}
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা যেন আমাদের সবাইকে আমলগুলো করার তৌফিক দান করেন,, আমিন🤍
সংগৃহীত

এই লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ ধরনের আরও লেখা
Developed by PAPRHI
Theme Dwonload From Ashraftech.Com
ThemesBazar-Jowfhowo